ভুয়া তথ্য ঠেকাতে সচেতনতার আহ্বান, সামাজিক মাধ্যমে যাচাই ছাড়া কিছু শেয়ার না করার পরামর্শ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য, পুরোনো ছবি বা ভিডিও নতুন ঘটনার সঙ্গে জুড়ে প্রচারের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বলে মনে করছেন তথ্যপ্রযুক্তি ও গণমাধ্যম বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফেসবুক, এক্স (সাবেক টুইটার), ইউটিউব ও টিকটকে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা ছবি, ভিডিও এবং অডিও সাধারণ মানুষের জন্য সহজে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে কোনো তথ্য দেখেই তা বিশ্বাস বা শেয়ার না করে একাধিক নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম এবং ফ্যাক্ট-চেকিং প্ল্যাটফর্মে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া তথ্য জনমত, নির্বাচন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জননিরাপত্তার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভুয়া তথ্য শনাক্ত করতে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। যেমন—খবরটির মূল উৎস কী, একই তথ্য অন্য নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করেছে কি না, ছবিটি পুরোনো কি না এবং পোস্টে অতিরঞ্জিত বা উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে কি না।
তাদের মতে, ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের পাশাপাশি তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলা এখন সময়ের অন্যতম বড় প্রয়োজন।
