‘জুলাইযোদ্ধা’ সার্টিফিকেটের ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় উমামা ফাতেমা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমার একটি ফেসবুক পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পোস্টে তিনি মজার ছলে ‘জুলাইযোদ্ধা’ সার্টিফিকেট দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন এবং প্রতিটি সার্টিফিকেটের জন্য ৫০ টাকা নেওয়ার কথাও লেখেন। তবে তিনি কাকে উদ্দেশ করে কিংবা কোন প্রেক্ষাপটে এমন মন্তব্য করেছেন, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
বুধবার (১ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ওই পোস্টে উমামা ফাতেমা প্রথমে লেখেন, ‘জুলাইয়ের এই এক মাস জুলাই সবার থাকবে, ঠিকাছে?’
এরপর তিনি আরও লেখেন, ‘এক মাস পর থেকে জুলাই আমার সম্পত্তি। আমি সবাইকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ সার্টিফিকেট দেব, পার পিস ৫০ টাকা।’
শুধু সার্টিফিকেট নয়, পোস্টে তিনি ভবিষ্যতে সার্টিফিকেটপ্রাপ্তদের নিয়ে ভোটের সময় জোট গঠনের কথাও রসাত্মক ভঙ্গিতে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি সম্ভাব্য বিভিন্ন উপাধির কথাও তুলে ধরেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ভোট করার সময় সার্টিফিকেটপ্রাপ্তদের সঙ্গে জোট করব। দারুণ সব টাইটেল হবে—লেটস সে, ‘জুলাইয়ের ফিনিক্স পাখি’, ‘জুলাইয়ের আবাবিল পাখি’, ‘জুলাইয়ের ইমাম’, ‘জুলাইয়ের মাস্টারমাইন্ড’।’
সবশেষে তিনি অনুসারীদের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে লেখেন, ‘কেমন লাগল আইডিয়াটা?’
তবে পুরো পোস্টজুড়েই তিনি কোথাও উল্লেখ করেননি, এটি নিছক রসিকতা, ব্যঙ্গ নাকি কোনো চলমান বিতর্কের প্রতিক্রিয়া। ফলে পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের ব্যাখ্যা ও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ এটিকে হাস্যরসাত্মক মন্তব্য হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এর পেছনে রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক ইঙ্গিত খুঁজছেন।
উমামা ফাতেমা এখন পর্যন্ত পোস্টটির বিষয়ে আলাদা কোনো ব্যাখ্যা বা স্পষ্টীকরণ দেননি। ফলে ‘জুলাইযোদ্ধা’ সার্টিফিকেট নিয়ে তার এই মন্তব্যের প্রকৃত উদ্দেশ্য এখনও পরিষ্কার নয়। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
